চলতি বছর চীনের সাংহাই কম্পজিট হারিয়েছে ৩০ শতাংশ ইনডেক্স
নিউজ ডেস্ক
306
প্রকাশিত: ৩০ জানুয়ারীফেব্রুয়ারি ২০১৮
ডেক্স রিপোর্ট: চীনের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য চলতি বছরটি ছিল খুবই হতাশাজনক। বছরের শুরু থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বেঞ্চমার্ক সাংহাই কম্পোজিট ইনডেক্সটির ৩০ শতাংশ পতন হয়েছে, যা বিশ্বের শীর্ষ শেয়ারবাজারের মধ্যে সাংহাইকে সবচেয়ে বাজে পারফর্ম করা একচেঞ্জে পরিণত করেছে। সূত্র সাংহাই কম্পজিট ওয়ের সাইট।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাবে দেশটির শেয়ারবাজার থেকে ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার হারিয়েছে। চীনের শেয়ারবাজারের এ লোকসান ২০০২ সালের পর বৃহত্তম রেকর্ড। শুধু তা-ই নয়, ১০ বছর আগে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটকালীন সময়ের কাছাকাছি লোকসান এটি। সে সময় সাংহাই সূচকটি ৬৫ শতাংশ পতনের মুখে পড়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের শুরুর দিকে জাপানের কাছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শেয়ারবাজার হিসেবে নিজেদের অবস্থান হারায় চীন।
[caption id="attachment_7793" align="alignnone" width="1562"]
সাংহাই কম্পজিট ইনডেক্স[/caption]
বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন স্টক কানেক্টস মাধ্যমে অফশোর ইকুইটিতে অর্থ ঢালা অব্যাহত রাখেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত তহবিলগুলোও শেয়ারদর পুনরুজ্জীবিত করতে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড কেনার কথা বলেছে। কিন্তু এ প্রচেষ্টা শেয়ারদরকে পতনের হাত থেকে খুব একটা রক্ষা করতে পারেনি। নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে পরিচিত বাজারটি ধীরে ধীরে পায়ের নিচের মাটি হারিয়ে ফেলছে— এ বিষয়টি লুকানোর কোনো পথ ছিল না।
কারণ চীনের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয় সক্ষমতা কমে এসেছে, যার প্রভাব পড়ে ভোক্তাপণ্য কোম্পানিগুলোর শেয়ারে। অন্যদিকে ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারি এবং জিন এডিটিং বিতর্কের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতের শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার হিড়িক পড়ে। এ সবকিছুর প্রভাব মিলিয়েই চলতি বছর সাংহাই এবং শেনজেন এক্সচেঞ্জগুলোর গড় দৈনিক টার্নওভার কমে ৫ হাজার ৩৭০ কোটি ডলারে নেমে আসে। এটি ছিল ২০১৪ সালের পর সর্বনিম্ন।
অবশ্য আর্থিক খাতে চীন কর্তৃপক্ষের নেয়া কঠোর মনোভাব কিছু ইতিবাচক ফলাফল এনে দিয়েছে, অন্তত গুজব সৃষ্টিকারীরা উধাও হওয়ায় শেয়ারবাজার এর মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে। সূত্র বণিক বার্তা
সাংহাই কম্পজিট ইনডেক্স[/caption]
বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন স্টক কানেক্টস মাধ্যমে অফশোর ইকুইটিতে অর্থ ঢালা অব্যাহত রাখেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত তহবিলগুলোও শেয়ারদর পুনরুজ্জীবিত করতে এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড কেনার কথা বলেছে। কিন্তু এ প্রচেষ্টা শেয়ারদরকে পতনের হাত থেকে খুব একটা রক্ষা করতে পারেনি। নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে পরিচিত বাজারটি ধীরে ধীরে পায়ের নিচের মাটি হারিয়ে ফেলছে— এ বিষয়টি লুকানোর কোনো পথ ছিল না।
কারণ চীনের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয় সক্ষমতা কমে এসেছে, যার প্রভাব পড়ে ভোক্তাপণ্য কোম্পানিগুলোর শেয়ারে। অন্যদিকে ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারি এবং জিন এডিটিং বিতর্কের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতের শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার হিড়িক পড়ে। এ সবকিছুর প্রভাব মিলিয়েই চলতি বছর সাংহাই এবং শেনজেন এক্সচেঞ্জগুলোর গড় দৈনিক টার্নওভার কমে ৫ হাজার ৩৭০ কোটি ডলারে নেমে আসে। এটি ছিল ২০১৪ সালের পর সর্বনিম্ন।
অবশ্য আর্থিক খাতে চীন কর্তৃপক্ষের নেয়া কঠোর মনোভাব কিছু ইতিবাচক ফলাফল এনে দিয়েছে, অন্তত গুজব সৃষ্টিকারীরা উধাও হওয়ায় শেয়ারবাজার এর মাধ্যমে উপকৃত হয়েছে। সূত্র বণিক বার্তা
আরও পড়ুন:
প্রথম সংবাদ সম্পর্কিত আরও
অর্থনৈতিক অঞ্চলে আমিরাতের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
১৩ জুন ২০২৪
লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য জানালো বাংলাদেশ ফাইন্যান্স
১২ জুন ২০২৪
পুঁজিবাজার গতিশীল রাখতে ভালো আইপিওর বিকল্প নেই: ডিবিএ প্রেসিডেন্ট
১১ জুন ২০২৪
ডিএনএ লজিক ডিজাইনের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে ড. হাসান বাবুর আন্তর্জাতিক প্রকাশনা
১০ জুন ২০২৪
মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজ দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
০৮ জুন ২০২৪
অতালিকাভুক্ত কোম্পানির কর্পোরেট কর কমলো
০৬ জুন ২০২৪
