প্লাস্টিক রিসাইক্লিং করে সফল মোজাম্মেল

দামে সাশ্রয়ী, সহজে ব্যবহারযোগ্য, কম ঝুঁকিপূর্ণ ও টেকসই ইত্যাদি কারণে সারাবিশ্বে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন ধরনের পলিথিন ব্যাগ, গৃহস্থালির প্লাস্টিক, কসমেটিক প্লাস্টিক, প্লাস্টিকের বোতল, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বিভিন্ন পণ্যের বেশির ভাগই পুনঃচক্রায়ন করা হয় না। ফলে এগুলো দিন দিন পরিবেশের বর্জ্যে পরিণত হচ্ছে এবং দূষণের মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এক জরিপে দেখা যায়, মাত্র ৯ শতাংশ প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে, যা পরিমাণের তুলনায় খুবই নগণ্য।

প্লাস্টিকের বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে পুরনো প্লাস্টিক থেকে নতুন ঝুড়ি, প্লেট, জগ, মগ, চেয়ার, বালতি, বোতাম, ক্লিপ, হ্যাঙ্গার, চামচ, টেবিল, পলিস্টার ফাইবার ইত্যাদি বিশেষ করে বল, খেলনা গাড়ি, পোশাক খাতের সরঞ্জাম, গৃহনির্মাণসামগ্রী থেকে শুরু করে পোলট্রি ও মৎস্য খাতের বিভিন্ন পণ্য, গাড়ি ও সাইকেলের যন্ত্রাংশ এবং কম্পিউটারের উপকরণ তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়াও, অফিসে ব্যবহারের জন্য তৈরি হচ্ছে স্কেল, বলপেন, পেপারওয়েট, কভারফাইল ইত্যাদি পণ্য।

দেশে প্রায় ৩০০ শতাধিক প্লাস্টিক কোম্পানির মধ্যে বর্তমানে প্লাস্টিক রিসাইক্লিংয়ে অন্যতম মিরপুরের মালেকা প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং কেরানীগঞ্জের এ অ্যান্ড এম প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যে দুটি কোম্পানিরই মালিক তরুণ উদ্যোক্তা ও সফল শিল্পপতি মোজাম্মেল হোসাইন। প্রতিবছরই প্লাস্টিক রিসাইক্লিং করে আয় করে থাকেন কোটি কোটি টাকা। বছরান্তে প্রায় ৫ কোটিরও বেশি পণ্য উৎপাদন করে থাকে তার কোম্পানি।

মোজাম্মেল হোসাইন জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে তারা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করেন এবং পরে সেগুলোকে রিসাইক্লিং করে বিভিন্ন পণ্যে রূপান্তর করে দেশের সর্বত্র সরবরাহ করে থাকেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here