২০০১ এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কনসার্টে জেমস

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পর মাহফুজ আনাম জেমস একেবারে অন্তরালে ছিলেন। কঠোর নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেছিলেন। নিও নরমাল লাইফ শুরু হলেও জেমস কনসার্ট কিংবা কোনো গানে কাজ করেননি। সম্প্রতি জেমস করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এই ভ্যাকসিনের দীর্ঘ প্রতিক্ষা ছিল তাঁর। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর এবার সেই মাঠে ফিরছেন, দুষ্টু ছেলের দলকে শান্ত করতে ফিরছেন জেমস।

ভ্যাকসিন পরবর্তী পৃথিবীতে জেমস ফিরছেন সুর নিয়ে। ২০০১ ব্যাচের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সব বন্ধু একত্রিত হবে মিরপুর ১৪ নম্বর পিএসসি কনভেনশন হলে। আগামী ১২ মার্চ এই আয়োজনে দেখা যাবে জেমসকে। ২০০১ এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংগঠনের নাম ক্লাসরুম- এই ক্লাসরুমের শিক্ষার্থীদের মাঝেই আসছেন জেমস।

দিন নগরবাউল জেমসের পাশাপাশি মঞ্চের আসবেন ডি জে রাহাত। আয়োজকদের মধ্যে রয়েছেন- ফাহিমুজ্জামান ফাহিম, মাসুদ রানা, সিরাজুল আজাদ, নিশাত, দেলোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট মাশরাতসহ অনেকেই।

তারা বলেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় নগরবাউল জেমস! আমরা যাঁর গান শুনে উন্মাতাল হয়ে যেতাম। সেই গুরু আসছেন গানে গানে মাতাতে। আসলে, সব বন্ধুকে একত্রিত করতেই আমরা মিলিত হচ্ছি এক ছাদের নিচে। বন্ধুদের নিয়ে মাতামাতি আর হারিয়ে যেতে চাই সোনালি অতীতে।’

জেমস ১৯৯০ এর দশকে ফিলিংসের মুখ্যব্যক্তি হিসাবে মূলধারার খ্যাতিতে উঠে এসেছিলেন, যা “বিগ থ্রি অফ রক” এর মধ্যে অন্যতম, যারা এলআরবি এবং অর্কের পাশাপাশি বাংলাদেশে হার্ড রক সংগীত বিকাশ ও জনপ্রিয় করার জন্য প্রশংসিত। ফিলিংসকে বাংলাদেশের সাইকেডেলিক রক এর প্রবর্তক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাকে প্রায়শই “গুরু” নামে অভিহিত করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here