স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ রুলস-২০১৮ চূড়ান্ত অনুমোদন

ব্রোকারদের

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন “কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ রুলস-২০১৮” এর খসড়ার  উপর কতিপয় পরিবর্তন ও পরিমার্জন সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)  আজ মঙ্গলবার ৬৬৬তম সভায়  রুলসটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

এর আগে কমিশনের ৬৪২তম সভায় স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ রুলস-২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খসড়াটির উপর জনমত যাচায়ের জন্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। জনমত যাচাই বাছাই শেষে স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ রুলস চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কমিশন।

এর আগে ২০১৬ সালে সম্ভাবনাময় ছোট কোম্পানিগুলোকে সহজে মূলধন সংগ্রহ করে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ দিতে স্মল ক্যাপ বোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ওই বছর ২ ফেব্রুয়ারি বিএসইসি (কোয়ালিফাইয়েড ইনভেস্টর অফার বাই স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিজ) রুলস ২০১৬ নামে একটি আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে গত এপ্রিলে এই আইনে কিছু সংশোধনী আনা হয়।

আইন অনুসারে, স্মল ক্যাপ বোর্ডে তালিকাভুক্ত হতে হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) পূর্ববর্তী পরিশোধিত মূলধন হতে হবে কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা। আর আইপিও পরবর্তী ন্যুনতম মূলধনের আকার হতে হবে ১০ কোটি টাকা। তবে কোনোভাবেই আইপিও পরবর্তী পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকার বেশি হতে পারবে না। পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা অতিক্রম করলেই কোম্পানিটিকে মূল বোর্ডে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে।

স্মল ক্যাপ কোম্পানির আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবে না। কেবল ‘যোগ্য’ বিনিয়োগকারীরাই আবেদন করতে পারবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ সম্পদধারী ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা ‘যোগ্য’ বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচিত হবে।

সেকেন্ডারি বাজারেও স্মল ক্যাপ বোর্ডে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লেনদেন করতে পারবে না। এ বাজারও কেবল ‘যোগ্য’ বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। স্মল ক্যাপ বোর্ডে প্রতিটি লেনদেনের ন্যুনতম আকার হবে ৫ লাখ টাকা।

আইপিওতে আসার সময় কোম্পানিগুলোকে রেড হেরিং প্রসপেক্টাস প্রকাশ না করলেও চলবে। তবে সংক্ষিপ্ত তথ্যকণিকা প্রকাশ করতে হবে। স্মল ক্যাপ বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালকদের ক্ষেত্রে ন্যুনতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

সিকিউরিটিজসমূহ ডিমেটারালাইজড ফর্মে হবে।একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক ট্রেডিং প্লাটফর্মে লেনদেন হবে। তবে ক্লিয়ারিং সেটলমেন্ট এবং ট্রেড সাইকেল হবে স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বাজারের অনুরূপ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here