সুপারব্র্যান্ডসের স্বীকৃতি পেল বসুন্ধরার চার প্রতিষ্ঠান

বিশ্বমানের পেপার, টিস্যু ও ডায়াপার তৈরিতে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড সব সময় ভোক্তাদের আস্থা ধরে রাখতে পেরেছে। এ আস্থার স্বীকৃতি হিসেবে বসুন্ধরা পেপার, বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা ডায়াপ্যান্ট অর্জন করেছে আন্তর্জাতিক সম্মান ‘সুপারব্র্যান্ডস অ্যাওয়ার্ড ২০২০-২১’।

গতকাল বৃহস্পতিবার এক জমকালো ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে আগামী দুই বছরের জন্য সুপারব্র্যান্ডসের বিশেষ প্রকাশনাও উন্মোচন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

এ অসামান্য অর্জন বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার্সে স্মারক কেক কেটে উদযাপন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান, ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান এবং পরিচালক ইয়াশা সোবহানসহ গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

যে সময় দেশের ছাপা আর লেখার কাগজের প্রায় পুরোটাই ছিল বিদেশনির্ভর, সেই ১৯৯৩ সালে বসুন্ধরা পেপার এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা করে। আজ বসুন্ধরা কাগজ শুধু দেশের লেখা, ছাপা বা প্যাকেজিংয়ের অনুসঙ্গ নয়, ছড়িয়ে গেছে বিশ্বের ৩৫টিরও বেশি দেশে। বাংলাদেশে পরপর দ্বিতীয়বারের মতো পেপার ক্যাটাগরিতে সুপারব্র্যান্ডস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল বসুন্ধরা পেপার।

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রার স্লোগান নিয়ে ২০০০ সাল থেকে যাত্রা শুরু করা বসুন্ধরা টিস্যু বাংলাদেশের মানুষের জীবনে এনেছে আমূল পরিবর্তন। ২০ বছর ধরে মানুষের  জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে বসুন্ধরা টিস্যু। উন্নতমানের পাল্প আমদানি, অত্যাধুনিক টিস্যু মেশিনারিজ এবং দক্ষ জনবল দিয়ে বিশ্বমানের টিস্যু উৎপাদন করে আসছে বসুন্ধরা টিস্যু। দেশজুড়ে বিস্তৃত বিতরণব্যবস্থা মানুষের দোরগোড়ায় টিস্যুপ্রাপ্তি নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো টিস্যু পেপার ক্যাটাগরিতে সুপারব্র্যান্ডস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল বসুন্ধরা টিস্যু।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি বিশ্বমানের বসুন্ধরা ডায়াপ্যান্ট ২০১৭ সালে শুরু হয়ে এরই মধ্যে অর্জন করে নিয়েছে ক্রেতাদের আস্থা ও ভালোবাসা। সাফল্যের এ পথচলায় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বেবিকেয়ার ক্যাটাগরিতে সুপারব্র্যান্ডস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল বসুন্ধরা ডায়াপ্যান্ট। বিস্তৃত বিতরণব্যবস্থার কারণে বসুন্ধরা টিস্যু, পেপার ও ডায়াপার পাওয়া যায় বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here