সাভার রিফ্র্যাক্টরিজকে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো উচিৎ

স্টাফ রিপোর্টার: লভ্যাংশ প্রদানের রেকর্ড নেই কোম্পানি প্রোফাইলে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসইতে) তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের  সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ লিমিটেডের। কোম্পানিটির রিজার্ভ ও সারপ্লাস টাকা নেগেটিভ, অায় বা ইপিএস নেগেটিভ। বছরের পর বছর ধারাবাহিকভাবে লোকসান দেখাচ্ছে কোম্পানিটি। লোকসান পেছনে গ্যাস সঙ্কটসহ অন্যান্য কাঁচামালের সঙ্কট থাকায় খরচ বেড়ে যাওয়াসহ নানা অজুহাত দাঁড় করায় কোম্পানিটি।

বিনিয়োগকারীদেরকে বছরের পর বছর ভবিষ্যতে কোম্পানিটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার স্বপ্ন দেখায়  এবং সে লক্ষ্যে ব্যয় সংকোচন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণসহ বেশকিছু বাস্তভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ করার কথাও বলে কিন্তু বাস্তবে তেমনটা হয় না।

সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ লিমিটেডের কোম্পানি প্রোফাইল দেখতে লিংকটিতে ক্লিক করুন।

পুঁজিবাজারে ১৯৮৮ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন এক কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কোম্পানির শেয়ারসংখ্যা মাত্র  ১৩ লাখ ৯২ হাজার ৮০০টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৫০ দশমিক ৬৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে সাত দশমিক ১৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪২ দশমিক ১৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলেও মাঝেমধ্যে পুঁজিবাজারে দাপট দেখায় ‘জেড’ ক্যাটেগরির কোম্পানি। টানা শেয়ারদর  বাড়ে কোম্পানিটির অাবার কিছুদিন পরে টানাই কমে শেয়ারটির দর।

ছয় মাসের প্রাইজ ক্যান্ডেল। দেখুন দৃশত কোন ভাল ফান্ডামেন্টাল পরিবর্তন ছাড়াই কিভাবে প্রাইজটা কৃত্রিম ডিমান্ড সৃষ্টি করে বাড়িয়ে, এখন দর ফেলান হচ্ছে।

বিনিয়োগকারী অাতাউর বলেন, ‘কোম্পানিটির শেয়ার হঠাৎ হঠাৎ আপার অথবা লোয়ার সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করে। এমনও হয় একদিকে কোম্পানিটি লভ্যাংশ দেয়নি, অন্যদিকে লোকসান। কোনো ভাল খবর নেই, তবুও  কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ে এমনকি বার বার হল্টেডও হয়। কোন গ্রুপ হয়তো কোম্পানিটি নিয়ে গেম করে । এটা বন্ধ হওয়া উচিৎ। এমন কোম্পানিকে হয় তার দক্ষতা বাড়িয়ে ভাল অায় করে বিনিয়োগকারীদেরকে লভ্যাংশ দিতে হবে নতুবা ওটিসি মার্কেটে পাঠানো উচিৎ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here