লকডাউনে ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হলেও এখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছে গোল্ডেন হার্ভেস্ট

মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন হার্ভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড করোনায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও লকডাউন চলাকালীন ঠিক ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেনি। এতে করে কোম্পানিটি আর্থিকভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোম্পানির মুনাফা কমেছে। তবে আশার কথা হচ্ছে কোম্পানিটি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। কোম্পানি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গোল্ডেন হার্ভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ বিভিন্ন ড্রাই ফুড, আইসক্রীম, দুধ ইত্যাদি পণ্য তৈরী ও বাজারজাতকরন করে।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, দেশে লকডাউন চলাকালীন আমাদের পণ্যের বিক্রি অনেক কমে গিয়েছিল। শুধুমাত্র লকডাউনে হোম ডেলিভারিটা ঠিকভাবে চলেছে। বাকি সব কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল। স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত, খেলার মাঠ, পিকনিক স্পটসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোম্পানির খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হতো। কিন্তু লকডাউনে এই সব স্থানে খাদ্যসমগ্রী প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যেকারণে কোম্পানি কিছুটা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। আর এসব কারণে কোম্পানি ২০১৯-২০ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সূত্রমতে, গত বছরের ডিসেম্বরে গোল্ডেন হার্ভেস্ট রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে প্রায় ৯০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এই টাকা মূলত উত্তোলন করা হয়েছিল কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল এবং ঋণ পরিশোধ করার জন্য। এরমধ্যে কোম্পানির ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য কিছু মেশিনারিজ ক্রয় করা হয়েছে, কিছু মেশিনারিজ ক্রয় করা হবে। পাশাপাশি কোম্পানির কারখানার অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। আর এখনও রাইটের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা অব্যবহৃত অবস্থায় আছে।

গোল্ডেন হার্ভেস্ট সূত্রে আরও জানা যায়, লকডাউনের পড়ে কোম্পানির ব্যবসা আবারও শুরু হয়েছে। কোম্পানি আশা করছে এই সংকট থেকে কেটে উঠবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানিকে ভালো রাখার জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরে লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর কোম্পানি টিকে থাকলে, ভালো থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও ভালো থাকবেন।

উল্লেখ্য, গোল্ডেন হার্ভেস্ট গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে শেয়ারবাজার থেকে রাইট ইস্যুর জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। ৪টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩টি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৮৯ কোটি ৯৩ লাখ ২৩ হাজার ৪২০ টাকা সংগ্রহ করে। প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে ইস্যুর মাধ্যমে এই টাকা সংগ্রহ করে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৮) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছিল ১.৪৬ টাকা। আর লকডাউনের কারণে ব্যবসা ঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ০.০৪ টাকা বা ৪ পয়সা ইপিএস হয়েছে কোম্পানির।

GHAIL

The Board of Directors has recommended No dividend for the year ended on June 30, 2020. Date of AGM: 24.12.2020, Time: 11:00 AM, Venue: Digital Platform. Record Date: 23.11.2020. The Company has also reported Consolidated EPS of Tk. 0.04, Consolidated NAV per share of Tk. 15.02 and Consolidated NOCFPS of Tk. 0.64 for the year ended on June 30, 2020 as against Tk. 1.93 (restated), Tk. 20.01 (restated) and Tk. 3.32 (restated) respectively for the same period of the previous year.

2020-10-29

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here