রাজের জয়ে আপ্লুত পরিবার

ব্যারাকপুরের মতো বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে রাজ চক্রবর্তীর উপর ভরসা রেখেছিলেন মমতা। ২-রা মে প্রমাণ করে দিল দিদিকে নিরাশ করলেন না রাজ চক্রবর্তী। অর্জুন সিং-য়ের খাসতালুক ব্যারাকপুরে এদিন সবুজ আবিরের ঝড়। রাজকে ব্যারকপুরের প্রার্থী ঘোষণা করবার পরেই কটাক্ষ ধেয়ে এসেছিল পরিচালকের দিকে। অর্জুন সিং প্রকাশ্য সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন ,‘ব্যারাকপুরে ফিল্মি ডিরেক্টর বা চলচ্চিত্রের মতো জায়গা ওটা নয়, এখানে প্র্যাক্টিকেল কাজটা বেশি হয়। ওখানে লোক নাটক বা ছবি কম দেখে বা কম বোঝে। ব্যারাকপুর জায়গাটা নেওয়া অসুবিধা আছে, সেটা উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বুঝে গেছেন তাই যাকে তাকে ওটা দিয়ে দিয়েছে’।

সেইদিনই পালটা জবাব দিয়েছিলেন রাজ। অর্জুন সিং-কে সরাসরি বলেছিলেন- চ্যালেঞ্জ নিবি না…’ সঙ্গে যোগ করেছিলেন- ‘উনি বললেন, যে খুব একটা গুরুত্ব আমাকে দিচ্ছেন না , তবে আমি কথা দিচ্ছি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আমাকেই দিতে হবে। আমি কথা দিলাম এই সিট আমি জিতব, এবং এই সিট আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপহার দেব’। তারিখটা ৫ই মার্চ। কথা রেখেছেন রাজ, ২-রা মে বিধানসভার ফল বলছে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রমণি শুক্লাকে ৯২২২ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন তিনি। টলি তারকার এই জয়ে উচ্ছ্বসিত তাঁর পরিবার, বন্ধুমহল থেকে অনুরাগীরা।

রাজ চক্রবর্তীর এই জয় নিয়ে আবেগঘন বার্তা শুভশ্রীর দিদি, তথা রাজের বড় শ্যালিকা দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় ভাটিয়ার। এদিন রাজের বাবার কথা খুব বেশি মনে পড়ছে গোটা পরিবারের, জানান দেবশ্রী। উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্ত হয়ে গত বছর অগস্টেই মৃত্যু হয় পরিচালকের বাবার। দেবশ্রী ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে লেখেন- ‘জেঠু দেখো , আজ তোমার শিবু জিতে গেছে । এই লড়াই টা খুব সহজ ছিল না। এই জেতা টাও খুব সহজ ছিল না।দিনের পর দিন দেখেছি মানুষের পাশে থেকে ,মানুষের জন্য লড়াই করতে। অজস্র মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ আজ ওকে জিতিয়েছে। ওর কঠিন পরিশ্রম আজ ওকে জিতিয়েছে ,তোমার এবং মাসিমনির ভালোবাসা ও আশীর্বাদ ওকে জিতিয়েছে। শুভর মঙ্গল কামনা আজ ওকে জিতিয়েছে।

আমরা তোমায় নিয়ে গর্বিত রাজ ।আমরা যারা তোমাকে খুব কাছ থেকে চিনি ,জানি ,তারা জানি তুমি কখনো সাধারণ মানুষের সাথে রাজনীতি করবে না। তুমি এগিয়ে যাও। তোমার ইউভান আর আমরা সবাই তোমার ঘরে ফেরার অপেক্ষায়’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here