ব্যবসা সম্প্রসারণে যাচ্ছে সামিট পাওয়ার

স্টাফ রিপোর্টার: সামিট পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান আজিজ খান ব্যবসা দ্বিগুণ করার ইঙ্গিত প্রদান করেছেন। ভবিষ্যতের বিদ্যুৎতের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ব্যবসা সম্প্রসারণ করা হবে। এজন্য গত রবিবার রাজধানীর কৃষিবীদ ইন্সটিটিউটে কোম্পানির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারদের অর্থায়ন ও সমর্থন কমনা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের পরে গাড়িঘোড়া আর এখনকার মতো থেকে সব বিদ্যুৎ নির্ভর হয়ে যাবে। এখন দেখা যায় আমাদের দেশের ছোট ছোট গাড়িগুলো বিদ্যুতের মাধ্যমে চলে। একটি সময় আসবে যখন দেশের বড় গাড়িগুলোও বিদ্যুৎতের মাধ্যমে চলবে। এই সময় বিদ্যুৎ চাহিদা বর্তমানের তুলনায় অনেকগুণ বেড়ে যাবে। সেই বিদ্যুৎ চাহিদার কথা ভেবেই আমরা এমনভাবে কোম্পানিটিকে তৈরি করছি যাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ সেই অনুযায়ী বাড়াতে পারি।

আজিজ খান আরও বলেন, প্রতি চার পাঁচ বছর পরপর মোট সম্পদের পরিমাণ দ্বিগুণ হচ্ছে। বর্তমানে সামিট পাওয়ার লিমিটেড এর অ্যাসেট বা সম্পদ ৬,৪৩৪ কোটি টাকা। আগামী পাঁচ বছরে তা দ্বিগুণ করতে হলে আমাদের ১২ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন অর্থায়নের। এদিক থেকে আমাদের কোম্পানির সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এই অর্থায়নে এখন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) সবচেয়ে কম মূল্যে বা সুদে আমাদের অর্থায়ন করছে।

বর্তমানে শিল্প কলকারখানার চাহিদার তুলনায় গ্যাসের উৎপাদন কম। তবে আশা করা যায় ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ এই চাহিদা পুরণ হয়ে যাবে। তখন বিদ্যুতের উৎপাদন আরও অনেক গুণ বেড়ে যাবে। বর্তমানে শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বব্যাপি সামিট পাওয়ারের প্রশংসা শোনা যায়। এই প্রশংসা ধরে রাখতে শেয়াহোল্ডারদের কাছ থেকে অর্থায়ন ও সমর্থনসহ সব ধরনের সহযোগীতা কামনা করেন চেয়ারম্যান।

কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু বিদ্যুতের চাহিদা ৪৬৪ মেগাওয়াট প্রতিঘন্টা। মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে গেলে ১০০০ কিলোমেগাওয়াট প্রয়োজন। উন্নত দেশে পরিনত হতে এই বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা হবে ৫০০০ কিলোমেগাওয়াট প্রতি ঘন্টা। বর্তমানে বেসরকারিভারে ৪৯টি কোম্পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই বেসরকারি বিদ্যুৎ খাত এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন এমডি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here