বারাকা পাওয়ার ৩০% শেয়ার পূর্ণ করলো

স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বিদ্যুত খাতের কোম্পানি বারাকা পাওয়ার লিমিটেড নতুন করে ৫ জন পরিচালকক যুক্ত করে সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ সংক্রান্ত বিএসইসির নির্দেশনা পরিপালন করেছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, বারাকা পাওয়ারের পরিচালকদের এর আগে সম্মিলিতভাবে ১৮ শতাংশ শেয়ার ছিল। কোম্পানিটিতে নতুন ৫ পরিচালক যুক্ত হওয়ায় সম্মিলিতভাবে কোম্পানিটির পরিচালকদের শেয়ার ৩০ শতাশ পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে বারাকা পাওয়ারের পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

প্রসঙ্গত, কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।

উল্লেখ,২০০৯-১০ সালে শেয়ার কারসাজির পর ভয়াবহ দরপতনের প্রেক্ষাপটে ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালকদের এককভাবে ও সম্মিলিতভাবে নূন্যতম শেয়ার ধারণের শর্ত আরোপ করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল, কোম্পানি পরিচালনায় জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে যথাযথ প্রতিনিধিত্বশীল পর্ষদ গঠন করা।

এর আগে বিএসইসির নির্দেশনা পরিপালন করে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করে তিন কোম্পানি। কোম্পানিগুলো হলো- বিডি থাই, বিজিআইসি এবং এমারেল্ড অয়েল লিমিটেড। সূত্র মতে, এখনো ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারনে ব্যর্থ রয়েছে পুঁজিবাজারের ৪০ কোম্পানি।

এগুলো হলো- একটিভ ফাইন কেমিক্যাল, আফতাব অটোমোবাইলস, অগ্নি সিস্টেমস, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, এপেক্স ফুটওয়্যার, এ্যাপোলো ইস্পাত, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস, সিটি ব্যাংক, ডেল্টা স্পিনার্স, ফ্যামিলিটেক্স, ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফাইন ফুডস, ফু-ওয়াং সিরামিক, ফু-ওয়াং ফুডস, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস, ইমাম বাটন, ইনটেক, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক, ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস।

এছাড়াও আরও যেসব কোম্পানি রয়েছে- মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, মেট্রো স্পিনিং, মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং, নর্দার্ণ জুট ম্যানুফ্যাকচারিং, নর্দার্ণ ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, ফার্মা এইডস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, সালভো কেমিক্যাল, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, সাউথইস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, তাল্লু স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বেক্সিমকো, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কে অ্যান্ড কিউ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here