বাবরের বিশ্বকাপের সেরা না হওয়া অন্যায়

এ কাজ শুধু কেভিন পিটারসেনই পেরেছিলেন। পুরো টুর্নামেন্ট দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে গিয়ে ডুব মারেননি পিটারসেন। দলকে বিশ্বকাপের ফাইনালে এনে দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বিশ্বকাপ জিতিয়েছেনও। ফাইনালেও খেলেছিলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। গতকাল একজন সঙ্গী পেয়েছেন পিটারসেন। মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপার সঙ্গে সেরা খেলোয়াড়ের ট্রফিও জিতেছেন ডেভিড ওয়ার্নার।

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংকে যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন ওয়ার্নার, তাতে তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্তিতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু শোয়েব আখতারের ঠিকই আপত্তি দেখা গেল। দল ফাইনালে না উঠলেও বাবর আজমকেই নাকি বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দেওয়া উচিত ছিল!

ভয়ংকর চাপ মাথায় নিয়েই বিশ্বকাপ শুরু করেছিলেন ওয়ার্নার। আইপিএলে ফর্ম হারিয়ে ফেলায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ টুর্নামেন্টের শেষ দিকে একাদশ থেকেই বাদ দিয়েছিল তাঁকে। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও ভালো করেননি। অস্ট্রেলিয়া দলে তাঁর জায়গা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। কিন্তু টুর্নামেন্ট যত এগিয়েছে, ততই নিজের জাত চিনিয়েছেন ওয়ার্নার। শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংসে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছেন। সেমিফাইনালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে তাঁর ৪৯ রান দলকে কক্ষপথে রেখেছিল।

গতকাল ফাইনালেও ছিলেন দুর্দান্ত। ১৭৩ রানের লক্ষ্যে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ শুরুতেই ফিরে গেছেন। অন্যদিকে, মিচেল মার্শ আগ্রাসী থাকায় ওয়ার্নারের দায়িত্ব ছিল এক প্রান্ত ধরে রাখার। কিন্তু আউট হওয়ার সময় দেখা গেল, এক প্রান্ত ধরে রাখার দায়িত্ব নেওয়া ওয়ার্নার ৫৩ রান করেছেন ৩৮ বলেই! কালকের ইনিংসের পর এই বিশ্বকাপে ওয়ার্নারের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২৮৯ রানে। ৪৮.১৭ গড় ও ১৪৬.৭০ স্ট্রাইক রেটে তোলা এ রানই তাঁকে টুর্নামেন্টের সেরা বানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here