বম্বে সুইটসের বিরুদ্ধে ডিএসসিসির মামলা

এতে বম্বে সুইটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক করিম শের আলী জিডানি ও উৎপাদন ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ হোসনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার ঢাকার বিশেষ মহানগর হাকিম (বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত) মেহেদী পাভেল সুইটের আদালতে ডিএসসিসির পক্ষে মামলাটি করেন প্রসিকিউটিং অফিসার ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হাসান।

মামলা আমলে নেওয়ার আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানিও করেন তিনি।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২৯ নভেম্বর নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কামরুল ও নমুনা সংগ্রহকারী রাসেল শিকদার রাজধানীর শ্যামপুরে বম্বে সুইটসের শিশুদের খাদ্য বম্বে চিপস তৈরির কারখানা সরেজমিন পরিদর্শন করতে যান। সেখানে প্রবেশের জন্য দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। কারখানায় প্রবেশের সেখানে ৯৫ শতাংশ কর্মী মুখে মাস্ক ছাড়া কাজ করছে বলে দেখতে পান। ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী, কারখানার ভেতরের ছবি ও ভিডিও রেকর্ডের জন্য মোবাইল ফোন বের করলে প্রোডাকশন ম্যানেজার জাহিদ হোসেনসহ কর্মীরা তাদেরকে বাধা দেন।

অভিযোগে ডিএসসিসি বলেছে, বাধার কারণে ওই কারখানা পূর্ণাঙ্গ পরিদর্শন, সার্বিক তদন্ত ও নমুনা সংগ্রহের কাজ করা যায়নি। বাধা পেয়ে সেখান থেকে ফিরে আসতে হয়। এটি নিরাপদ খাদ্য আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

পরিদর্শন কাজে বাধা দেওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী গত ১ ডিসেম্বর বম্বে সুইটসের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠায় ডিএসসিসি। ৮ নভেম্বর বম্বে সুইটস নিজেদের ইচ্ছেমতো চিঠির জবাব দেয়।

ডিএসসিসির কৌঁসুলি কামরুল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা আমাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেখানে গিয়েছি। সেখানকার উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখা, নমুনা এনে তা পরীক্ষা করা আমাদের কাজের অংশ। কিন্তু তারা আমাদের কোনো কাজই করতে দেয়নি। এজন্য তারা তো অপরাধ স্বীকার করেইনি, আমাদেরকে কোনো পাত্তাই দিল না। এ কারণে মামলা করেছি।

“আমরা আদালতকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছেন।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here