প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের আরও কর ছাড় দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের শুল্ক ও কর আরও বেশি ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ অনলাইনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবিত বাজেটই চূড়ান্ত নয়। আমরা শুল্ক ও করের ব্যাপারে নমনীয় থাকবো। প্রয়োজনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে করহার আরও কমাবো, কিন্তু কোথাও বাড়াবো না।” তিনি বলেন, সরকার যেহেতু কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে না, তাই বেসরকারিখাতকে সহেযোগিতা দেওয়ার মাধ্যমেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

অতীতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যারা বেশি আয় করেন, তাদের ওপর বেশি হারে করারোপ করা হতো। অথচ হওয়ার কথা ছিল এর উল্টোটা। কারণ, যারা সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে অধিক সম্পদ সৃষ্টি করতে পারে, তাদের ছাড় দেওয়া দরকার ছিল। এসব বিষয় যতোটা সম্ভব পর্যালোচনা করে এবার সহজ ও সার্বজনীন করার চেষ্টা করেছি।

“প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যবসা-বিনিয়োগের কোথাও শুল্ক-কর বাড়েনি, বরং ছাড় দিয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। সেজন্য প্রাইভেট সেক্টরকে ড্রাইভিং সিটে বসিয়ে তাদের সাহায্য করা হবে” – যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বাজেট পুরোটাই ব্যবসা-বান্ধব। আশা করছি, তারা এই সুযোগ নেবেন এবং বিনিয়োগ বাড়িয়ে উৎপাদনে যাবেন। আর উৎপাদন বাড়াতে হলে কর্মসংস্থান স্বাভাবিকভাবেই সৃষ্টি হবে। দেশীয় পণ্যের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে রপ্তানিমুখী খাতগুলোকেও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। এই বাজেটের মূল লক্ষ্য ধরা হয়েছে মহামারির অভিঘাত থেকে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার শক্তিশালীকরণ।

চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের নতুন অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ৩৫,৬৮১ কোটি টাকা বেশি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here