প্রতারণার দায়ে এমটিবি সিকিউরিটিজের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে

স্টাফ রিপোর্টার : প্রতারণার দায়ে আপাতত এমটিবি সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে তিন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে পুঁজিবাজারে আসতে যাওয়া ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করতে পারবে না এমটিবি।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে দ্রুত প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কমিশনের এনফোর্সমেন্ট বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, নিয়ম না মেনে আইপিওতে আবেদন করায় এমটিবি সিকিউরিটিজকে তিন কোম্পানিতে আবেদন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই চিঠির কপি ডিএসই পেয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএসইর সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

ডিএসইর তথ্য মতে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমটিবি সিকিউরিটিজ ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আইপিওতে আবেদনের সময় কোম্পানির অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা ছিলো না।

নিময় অনুসারে আইপিওতে আবেদনের শেষ তিনদিনের মধ্যে ব্রোকারেজ হাউজগুলো ডিএসইকে রিপোর্ট দেয়। এই রিপোর্ট দেখে ডিএসই’র সন্দেহ হয়। এরপর ডিএসই একটি তদন্ত টিম গঠন করে। তদন্ত টিম সমস্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখে এমটিবি সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সেই টাকা আইপিওর অ্যাকাউন্টে জমা দেয়নি। বরং টাকা জমা ছাড়া আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করেছে। যা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা। এছাড়াও ওয়ালটনের শেয়ারে বিডিং করে ফান্ড দিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি।

এ বিষয়ে এমটিবি সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান আমাদের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে তা টেকনিক্যাল ব্যাপার। মূলত ব্যাংক ফান্ড ব্লক করার আগেই আমাদের চিঠি দেয়। সেটা নিয়েই আমরা আবেদন করি। ফলে সেখানে টেকনিক্যাল সমস্যা তৈরি হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here