“পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের প্রধান কারণ সচেতনতা ও শিক্ষার অভাব”

স্টাফ রিপোর্টার: পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সবসময় সহযোগিতা করে যাবেন বলে জানান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সানাউল হক। তিনি বলেন, ‘আমাদের উপর আস্থা রেখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ২ হাজার কোটি টাকার একটি বন্ড অনুমোদন করেছে। এটি এখন পর্যন্ত দেশে ইস্যুকৃত সবচেয়ে বড় বন্ড। এই বন্ডের মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে আমরা পুঁজিবাজারকে পুরো সাপোর্ট দেবো।’

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পুঁজিবাজার-বিষয়ক কেস কম্পিটিশনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইসিবি ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পুঁজিবাজার-বিষয়ক কেস কম্পিটিশন আয়োজন করেছে বিআইসিএম।

আইসিবি এমডি বলেন, পেছনের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালের পুঁজিবাজারের বিপর্যয় এবং পরবর্তীতে ২০১০ সালের ধ্বস দুটো বড় ঘটনা। এসব বড় কেলেঙ্কারীর ঘটনার প্রধান কারণ ছিল বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা ও প্রকৃত শিক্ষার অভাব। এর পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতিও এতে ভূমিকা রেখেছে। পরবর্তীতে বাজার স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লেগে গেছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারের আকার অনেক বেড়ে যাবে। সরকার বেশ কিছু মেগা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্পের জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন। সরকার পুঁজিবাজার থেকে তা সংগ্রহ করতে পারে। তাছাড়া বাজারে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ছে।

ইনভেস্ট মায়েস্ট্রোস পুঁজিবাজার-বিষয়ক কেস প্রতিযোগিতা প্রথম হয়েছে টিম ইকুইলিব্রিয়াম, দ্বিতীয় হয়েছে টিম ফ্যান্টাস্টিক ফোর তৃতীয় হয়েছে টিম কনসেনসাস। প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা এক লাখ টাকা পুরস্কারের পাশাপাশি বিআইসিএম এ ইন্টার্নী করার সুযোগ পাবেন।

আর প্রথম ও দ্বিতীয় রানার আপকে দেওয়া হবে যথাক্রমে ৫০ হাজার এবং ৩০ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার। এছাড়া তারা বিআইসিএম এ বিনামূল্যে একটি সার্টিফিকেট কোর্স করতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here