পদ্মাসেতুর ২৭তম স্প্যান বাসানো হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ২৭তম স্প্যান বসানো হয়েছে। আর এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর চার হাজার ৫০ মিটার। শনিবার, ২৮ মার্চ সকাল ৯টা ২০ মিনিটের সময় জাজিরা প্রান্তের ২৭ ও ২৮ নম্বর খুঁটির ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। আর ১৪টি স্প্যান বসিয়ে ২.১ কিলোমিটার দৃশ্যমান বাকি পদ্মাসেতুর।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মূল সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের বলেন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ সকালে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেন দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্প্যানটিকে। আবহাওয়া ও কারিগরি কোনো জটিলতা দেখা না দেওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই স্প্যানটি স্থাপন করা সম্ভব হয়।

জানা গেছে, পদ্মাসেতুতে বসানোর জন্য স্প্যান প্রস্তুত আছে পাঁচটি। এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে আরো দুইটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা আছে প্রকৌশলীদের। সারাদেশে করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে কাজের গতিতে প্রভাব পড়েছে। দেশি শ্রমিকের বড় একটি অংশ ছুটি নিয়েছে।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। সেতুতে বসানোর জন্য আরও পাঁচটি স্প্যান প্রস্তুত আছে। এর মধ্যে দুটিতে রং করার কাজ চলছে। মূল সেতুর কাজ এগিয়েছে ৮৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন।

ইতোমধ্যে ৭০০ মিটার স্ল্যাব বসানো হয়েছে। স্ল্যাব বসানোর পর পিচ ঢালাইসহ চূড়ান্ত কাজ করা হবে। স্টিলের কাঠামোর ভেতর দিয়ে চলবে ট্রেন। ৪২টি খুঁটির ওপর মোট ৪১টি স্প্যান জোড়া দেওয়া সম্পন্ন হলে পদ্মা সেতু পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। আগামী বছর জুনেসেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here