জেএমআই সিরিঞ্জের শেয়ারদর ১৬৪.১০ টাকা নির্ধারণ

স্টাফ রিপোর্টার : জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেডের ইজিএমে শেয়ারপ্রতি দর ১৬৪.১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাপানের নিপ্রো করপোরেশনের ১৮২ কোটি ১৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন জেএমআই সিরিঞ্জেস ও মেডিকেল ডিভাইসেস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডাররা। কোম্পানিটির ৯ম বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডাররা প্রস্তাবটি অনুমোদন করেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার সকাল ১১টায় কোম্পানির কর্পোরেট অফিস শান্তিবাগের কার্যালয়ে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইজিএম ১০ টায় শুরু হয়ে ১১টায় শেষ হয়েছে।

সভায় নিপ্রো করপোরেশনের কাছে ১ কোটি ১১ লাখ সাধারণ শেয়ার ১৬৪.১০ টাকা প্রতি শেয়ারের মূল্য হিসেবে মোট ১৮২ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার নতুনভাবে ইস্যু করে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুনভাবে ইস্যুকৃত শেয়ারসহ মোট পরিশোধিত শেয়ার সংখ্যা হবে ২ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং পরিশোধিত মুলধন হবে ২২ কোটি ২১ লাখ টাকা।

নিপ্রো করপোরেশন থেকে প্রস্তাবিত মূল্য হিসেবে ১৬৪ টাকা ১০ পয়সা প্রতি শেয়ার ধার্য করা হয়েছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ১৫৪ টাকা ১০ পয়সা প্রতি শেয়ার প্রিমিয়াম হিসেবে থাকবে এবং মোট ইক্যুয়িটির সাথে যোগ হবে। টাকা কোম্পানির স্থায়ী অবকাঠামো, মেশিনারিজ ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মুলধন এবং শেয়ার ইস্যু বাবদ খরচ মেটানো হবে।

জাপানের নিপ্রো করপোরেশন একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী গ্রুপ যারা বিশ্বের ৫৭টি দেশে ঔষধ, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট এবং ইনোভেটিভ মেডিকেল ও সার্জিক্যাল ডিভাইস উৎপাদনকারী ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তাদের ৯১টি প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে সুনামের সাথে ব্যবসা করছে।

ডিএসইর ঘোষণা অনুযায়ী, ১৬ ফেব্রুয়ারি, শনিবার সকাল ১১টািয় ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। যথা সময়ে অনুষ্ঠানে গিয়ে অংশ নিতে না পেরে অনেক বিনিয়োগকারী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ইজিএম সম্পর্কে জানতে চাইলে কোম্পানির সেক্রেটারি মোহাম্মদ তারেক হোসেন খান বলেন, সকাল ১০টায় আমাদের ইজিএম শুরু হয়ে ১১টায় শেষ হয়েছে। ডিএসইর প্রকাশিত তথ্য ১১টা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ১০টায় ইজিএমের ঘোষণা দিয়েছি। তবে ডিএসই ১১টায় যে সময় নির্ধারিত করে তথ্য দিয়েছে, তা তারা ভুল করেছে।

ইজিএমে অংশ নেয়া কয়েকজন বিনিয়োগকারী বলেন, জাপানের বহুজাতিক কোম্পানি নিপ্রো করপোরেশন ১ কোটি ১১ লাখ শেয়ার কেনার অনুমোদন করা হয়েছে। বিনিয়োগকৃত অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে।

ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন শেষ, এখন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো ও বিনিয়োগ বোর্ডের অনুমোদন নিতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here