এডিএন টেলিকমের বিডিং শুরু বিকাল ৫টায়

স্টাফ রিপোর্টার:  আজ ৫ নভেম্বর সোমবার বিকাল ৫টায় এডিএন টেলিকম লি: বিডিং থেকে শুরু হবে। চলবে টানা ৭২ ঘণ্টা অর্থাৎ ৮ নভেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত।এর আগে গত ১৪ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির বিডিংয়ের অনুমাদন দেয়।

কোম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ৫৭ কোটি টাকা উত্তোলন করবে।

কাল শুরু হতে যাওয়া বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা (ইলিজিবল ইনভেস্টর) অংশ নেবে। তারা কোম্পানিটির ৩৫ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার কেনার জন্য বিডিং করবে। একজন বিডার সর্বোচ্চ ৭১ লাখ ২৫ হাজার টাকার বিডিং করতে পারবে। প্রতি ১০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।

আইপিও টাকা থেকে কোম্পানিটি ভৌত কাঠামো উন্নয়নে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার ১৮ টাকা; ডাটা সেন্টার স্থাপনে ৯ কোটি ৩২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৯ টাকা; ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ১২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৩৭৩ টাকা এবং আইপিও খরচ খাতে ২ কোটি ৯৫ লাখ ব্যয় করা হবে।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট এবং রেজিস্ট্রার টু দ্যা ইস্যু হিসেবে রয়েছে রুটস ইনভেস্টমেন্টস লি:।

কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে এডিএন টেকনলোজির কাছে ০.৪৫ শতাংশ, এডিএন টেলিকম এম্প্লয়েজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের কাছে ০.৪৫ শতাংশ, সিটি ব্যাংক কেপিটাল রিসোর্সের কাছে ৪.৩১ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের কাছে ১.৫৬ শতাংশ, এরশাদ সিকিউরিটিজের কাছে ০.৪৫ শতাংশ, খাজা ইক্যুইটির কাছে ০.৬৭ শতাংশ, পার্কওয়ে সিকিউরিটিজের কাছে ০.৪৫ শতাংশ এবং ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কাছে ২.৯৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

কোম্পানিটি দুটি এসোসিয়েট কোম্পানিতে মোট ৯৯ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮৫ টাকা বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে মাইটেল লি: এর ৩২ শতাংশ শেয়ার এবং ম্যানেজওয়েল কমিউনিকেশন লি: এর ৪০ শতাংশ শেয়ার এডিএন টেলিকমের কাছে রয়েছে।

৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কোম্পানিটির ব্যবসা থেকে মোট আয় হয়েছে ৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্থানীয় সেবা থেকে আয় হয়েছে ৫৩ কোটি টাকা এবং রপ্তানি সেবা থেকে আয় হয়েছে ৪৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির মোট আয় হয়েছিল ৮২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

আলোচিত বছরে কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৬৭ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ২.৩৬ টাকা।

এছাড়া কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮.৮০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৬.১৩ টাকা। শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩.৪০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.৭১ টাকা।

কোম্পানির প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে টার্নওভারের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে আমরা টেকনলোজিস এবং ইনফর্মেশন টেকনলোজি কনসালটেন্টস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here