এক বছরেই ফাইজার ও মডার্নার টিকার ব্যবসা ৩২০০ কোটি ডলারের

জরুরি ভিত্তিতে কোভিড-১৯ টিকার অনুমোদন দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও মানবতার জন্য এটি এক মাহেন্দ্রক্ষণ। এতে টিকা উৎপাদকদের ব্যবসাও মন্দ হবে না।

ইতিমধ্যে ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, ফাইজার ও মডার্না শুধু আগামী বছর টিকা বিক্রি করে ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার আয় করবে। সিএনএন সূত্রে এই খবর পাওয়া গেছে।

এ তো গেল টাকাপয়সার ব্যাপার, মানবতার রক্ষাকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়ে এরা কত মানুষের আশীর্বাদধন্য হবে, সেই হিসাব তো আর কেউ রাখে না। এই ভাবমূর্তির ব্যাপারটা মডার্নার জন্য আরও বেশি করে প্রযোজ্য। নতুন এই বায়োটেক কোম্পানির নাম ২০২০ সালের আগে হয়তো সিংহভাগ মানুষই শোনেনি। এরাও এখন এফডিএর অনুমোদনের অপেক্ষায়।

ওয়াল স্ট্রিটের বিশ্লেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, ফাইজার ও মডার্না শুধু আগামী বছর টিকা বিক্রি করে ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার আয় করবে।

মর্গান স্ট্যানলির হিসাব অনুসারে, ২০২১ সালে ফাইজার কোভিড-১৯-এর টিকা বিক্রি করে ১ হাজার ৯০০ কোটি ডলার আয় করবে। এ ছাড়া চলতি বছর এই টিকা বাবদ ৯৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার তো আছেই। ফাইজার টিকা উৎপাদন করছে বায়োএনটেকের সঙ্গে যৌথভাবে। ফলে টিকা বিক্রি করে যে রাজস্ব তারা আয় করবে, তার একটি অংশ বায়োএনটেকের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের উপদেষ্টারা বলেছেন, শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের এই টিকা প্রয়োগ শুরু হবে। আর চলতি মাসের শুরুতে ফাইজারের টিকা যুক্তরাজ্যে প্রয়োগ শুরু হয়ে গেছে। তবে শুধু ২০২১ সাল নয়, টিকাকরণ ২০২২ ও এমনকি ২০২৩ সালেও চলবে। তাতে এই দুই বছরে ফাইজার আরও ৯৩০ কোটি ডলার রাজস্ব আয় করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here