অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়

দীর্ঘ চার বছর পর বাংলাদেশে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে এসে রীতিমত নাকানি চুবানি খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টির মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও হারল অসিরা। বুধবার, ০৪ আগস্ট মিরপুরে অসিদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ে সিরিজে ২-০ ব্যাবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা।

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও টস ভাগ্যটা সঙ্গে থাকল না টাইগার কাপ্তান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। আগের ম্যাচ টস জিতে বোলিং নেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। এবার ব্যাটিং। দুই সিরিজ মিলিয়ে টানা পাঁচ টসে হারলেন মাহমুদউল্লাহ।

টসে হারলেও তবে অজিদের সিদ্ধান্তটা যৌক্তিক হতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। অতিথি দল ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে মাত্র ১২১ রান। আর বাংলাদেশ ১৮ ওভার ৪ বলে ৫ উইকেট হারিয়েই পেয়ে গেল মনে রাখার মতো আরেকটি জয়!

১২২ রানের লক্ষ্যে শুরুটা অবশ্য ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। আগের ম্যাচের মতো এদিনও ব্যর্থ হন সৌম্য সরকার। মিচেল স্টার্কের বলে বোল্ড হওয়ার আগে শূন্য করেন তিনি। পরের ওভারেই জস হ্যাজেলউডের বলে ৯ রান করা নাঈম শেখ বোল্ড হন।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে মেহেদী হাসানের সঙ্গে ৩৭ রান তোলেন সাকিব। তবে অ্যান্ড্রু টাইয়ের দারুণ এক বলে বোল্ড হন সাকিব। ১৭ বলে ২৬ রান করেন এই তারকা। আর অ্যাডাম জাম্পার বলে স্টাম্পিংয়ে শিকার হওয়া মেহেদী ২৪ বলে ২৩ রান করেন।মাঝে শূন্য রানে আউট হন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

টস হেরে এর আগে ফিল্ডিংয়ে নামে টাইগাররা। মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বোলিং ও অন্য বোলারদের দারুণ সহায়তায় ১২১ রানের বেশি করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।এদিনও বোলিংয়ে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া সতর্ক শুরু করলেও পাওয়ার প্লেতে দলটি ২ উইকেট তুলে নেয় টাইগাররা।

৬ ওভার শেষে ৩২ রান তুলতে পারে সফরকারী অজিরা। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার অ্যালেক্স ক্যারিকে নাসুম আহমেদের ক্যাচে পরিণত করেন মেহেদী হাসান। আর ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসা মোস্তাফিজুর রহমান অসাধারণভাবে বোল্ড করেন আরেক ওপেনার জস ফিলিপকে।

মাঝে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫২ বলে ৫৭ করে দলকে বিপর্যয় থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন মিচেল মার্শ ও মইসেস হেনরিকেস। তবে ২৫ বলে ৩০ রান করা হেনরিকেসকে সাকিব আল হাসান বোল্ড করলে ভাঙে জুটি। এরপর মার্শও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।

আগের ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ৪৫ রান করেন। এবার ৪২ বল খেলে শরিফুল ইসলামের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানকে ক্যাচ দেন। এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলেই ব্যস্ত থাকে সফরকারীরা। মোস্তাফিজ ম্যাথিউ ওয়েড ও অ্যাশটন অ্যাগারকে পর পর দুই বলে বিদায় করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান।

বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিং করা মোস্তাফিজুর ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট পান। শরিফুল ২টি উইকেট তুলে নেন। এছাড়া মেহেদী ও সাকিব একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।

সূত্র : বিজনেস আওয়ার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here