অধিকাংশ গার্মেন্টস শ্রমিক বেতন পেয়েছেন, ‘বাকিরা পাবেন ২২ এপ্রিলের মধ্যে’

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে বিজিএমইএ- এর সদস্যভুক্ত তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে ২ হাজার ২৭৪টি। এর মধ্যে ২ হাজার ১৫৩টি কারখানা মালিক তাদের ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ জন শ্রমিকের গত মার্চ মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছেন। এখনও ১২১টি কারখানায় বেতন হয়নি। বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএ- এর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত তাদের সদস্যভুক্ত ২ হাজার ১৫৩টি কারখানায় ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক গত মার্চ মাসের বেতন-ভাতা পেয়েছেন। যা মোট শ্রমিকের ৯৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এখনও ১২১টি কারখানা মালিক বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পারেননি যা মোট হিসেবের ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত মোট ২ হাজার ২৭৪ কারখানার মধ্যে ঢাকা মহানগর এলাকায় রয়েছে ৩৬০টি। এর মধ্যে গত মার্চের বেতন দিয়েছে ৩৩৯টি প্রতিষ্ঠান, বেতন হয়নি ২১টি কারখানায়। গাজীপুরের ৮০৮টি কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ৭৬৪টি, বাকি রয়েছে ৪৪টি, সাভার ও আশুলিয়ায় ৪৭১টির মধ্যে বেতন দিয়েছে ৪৫৮টি বাকি রয়েছে ১৩টি।

নারায়ণগঞ্জের ২৬৯টি পোশাক কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ২৬০টি বাকি রয়েছে ৯টি, চট্টগ্রামের ৩২৪টি কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ২৯৩টি বাকি ৩১টির এবং প্রত্যন্ত এলাকার ৪২টি কারখানার মধ্যে বেতন দিয়েছে ৩৯টি বাকি রয়েছে ৪টির। এ হিসেবে মোট ২ হাজার ১৫৩টি কারখানায় ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক মার্চ মাসের বেতন-ভাতা পেয়েছেন।

তবে বিজিএমইএ-এর সদস্য নয়। যারা সাব কন্টাক্ট-এ কাজ করে এমন বেশ কিছু কারখানার শ্রমিক বেতন পাননি। তার কোনোও হিসেব নেই পোশাক মালিকদের বৃহত এ সংগঠনের কাছে।

এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, এমন একটা পরিস্থিতিতে আমাদের অধিকাংশ কারখানা শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করেছে। বড় সব কারখানা তাদের বেতন পরিশোধ করলেও ছোট ও মাঝারি কিছু কারখানা তাদের বেতন পরিশোধ করতে পারিনি। আমরা তাদের সহযোগিতায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। যারা প্রচলিত/অপ্রচলিত পণ্য রপ্তানি করেন তাদের জন্য ব্যাংকে যাচ্ছি, সেখান থেকেও সাড়া পাচ্ছি।

তিনি বলেন, তহবিল শুধু ব্যাংকের শর্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ না, লক ডাউন চলছে, পরিবহন বন্ধ, সীমিত লেনদেন হচ্ছে, পুরোটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। অন্যদের বেতন পরিশোধে কাজ করে যাচ্ছি হয়তো সাময়িক বিচ্যুতি হবে। কারণ এ সংকট বিশ্বব্যাপী, বিষয়টা এমন নয় যে প্রতি মাসের বেতনের জন্য রাস্তায় নামতে হয়। যেসব কারখানা বেতন পরিশোধ করতে পারিনি আমরা চেষ্টা করছি তাদের ২২ এপ্রিলের মধ্যে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here