১০ কোম্পানির শেয়ার লক ফ্রি সময়

স্টাফ রিপোর্টার: চলতি বছরে অাইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হওয়া দশ কোম্পানির শেয়ার লক-ইনের মেয়াদ, চলতি বছরের অক্টোম্বর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে এবং অাগামী বছরের প্রথম দিকে শেষ হবে। ‘যোগ্য বিনিয়োগকারীদের’ (ইলিজিবল ইনভেস্টর, ইআই) কাছে থাকা এসব শেয়ার লক-ইন ফ্রি হবে মানে শেয়ারগুলো ইচ্ছা করলে ‘যোগ্য বিনিয়োগকারীরা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিক্রি করতে পারবে।

লক ইন ছাড়ানোর তালিকায় অাছে সম্প্রতি অাইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হওয়া দশ কোম্পানি। এর মধ্যে টেক্সটাইল খাতের ৪ কোম্পানি কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, আমান কটন ফাইব্রাস লিমিটেড, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং লিমিটেড ও এমএল ডায়িং লিমিটেড।

ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ক্যামিক্যালস সেক্টরের ৩ কোম্পানি অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড, সিলভা ফার্মা, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। এছাড়াও ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেড, বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড, এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। স্টক এক্সচেঞ্জ, কোম্পানির প্রসপেক্টাস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবলিক ইস্যু রুলস অনুসারে, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসা কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা ‘যোগ্য বিনিয়োগকারীদের ‘ (ইলিজিবল ইনভেস্টর) অর্ধেক বা ৫০ শতাংশ শেয়ারের ওপর কোনো ধরনের লক ইন থাকে না। মানে অাইপিওর শেয়ার মার্কেটে লেনদেন শুরুর  দিন থেকে বিক্রয় যোগ্য থোকে। বিক্রয় যোগ্য থাকলেই যে তারা বিক্রয় করবেন বিষয়টি তেমন নয় বরং সেটা তাদের বিনিয়োগ পলিসির বিষয়। তবে তারা চাইলে বিক্রয় করতে অাইনি বাঁধা নেই। আর অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে ২৫ শতাংশের ওপর ছয় মাস এবং বাকি ২৫ শতাংশের ওপর নয় মাসের লক ইন থাকে।

অন্যদিকে কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক, ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ধারণ করা শেয়ার তিন বছর লক ইন থাকবে এবং অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ধারণকৃত শেয়ারের ওপর ১ বছর লক-ইন থাকে। এখানে অন্য শেয়ারহোল্ডার বলতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আগে থেকে বিদ্যমান শেয়ার শেয়ারহোল্ডারদের বুঝানো হয়েছে।

স্পেন্সর বা পরিচালক ও আইপিও পূর্ববর্তী শেয়ারহোল্ডাররা লক-ইন মেয়াদে শেয়ার বিক্রি, উপহার কিংবা স্থানান্তর করতে পারবে না। আইপিওর সম্মতিপত্র পাওয়ার সময় অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের কাছে থাকা শেয়ারের ক্ষেত্রে এক বছর পর্যন্ত লক ইন থাকে। প্রসপেক্টাস ইস্যুর তারিখ থেকে লক ইন হিসাব করা হয়।

পাবলিক ইস্যু রুলে বাংলাদেশ ব্যবসা বা বিনিয়োগকার্যক্রম পরিচালনাকারী ৯ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানের জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বিডিং কার্যক্রমে অংশ নেয়ার ‘যোগ্য বিনিয়োগকারী (ইলিজিবল ইনভেস্টর) হিসেবে থাকার সুযোগ অাছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যান্ড পোর্ট পোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলার, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ম্যানেজার এবং অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড

কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস: বস্ত্র খাতের কোম্পানি কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলসের প্রসপেক্টাস ইস্যু হয়  ১০ ডিসেম্বর, ২০১৭। স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয় ১৩ মার্চ, ২০১৮। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার। এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা ইলিজিবল ইনভেস্টরদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ারের ৫০ শতাংশ বা ৩৭ লাখ ৬০ হাজার শেয়ারের ওপর লক ইনের মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

তবে অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ৭ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের লক ইন শেষ হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর। এছাড়া কোম্পানিটির উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর।

অ্যাডভেন্ট ফার্মা: ওষুধ খাতের কোম্পানি অ্যাডভেন্ট ফার্মার প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ১৫ জানুয়ারি, ২০১৮  স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় এপ্রিলের ১২ তারিখে। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৮৬ লাখ। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা ২৫ লাখ শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। বাকী ২৫ লাখ শেয়ারের লক ইনও  সম্প্রতি ১৫ অক্টোবর শেষ হয়েছে।

আর অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ২ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার শেয়ারের লক ইন শেষ হবে আগামী বছরের ১৯ জানুয়ারি। এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ২ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি।

ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন: ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮। আর স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ১৭ মে। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৫০ লাখ। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের হাতে থাকা ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ  শেষ হয়ে গেলেও অবশিষ্ট ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের লক ইন উঠবে এ বছরের ১৮ নভেম্বর।

আর অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ২ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার শেয়ারের লক ইন শেষ হবে আগামী বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি। এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ২ কোটি ২১ লাখ ২০ হাজার শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।

বসুন্ধরা পেপার মিলসে: বসুন্ধরা পেপার মিলসের আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ১ এপ্রিল, ২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয় ২ জুলাই। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা ৩২ লাখ ৫৫ হাজার শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ১ অক্টোবর।

আর ইলিজিবল ইনভেস্টরদের অবশিষ্ট ৩২ লাখ ৫৫ হাজার শেয়ারের ওপর নয় মাসের লক ইন শেষ হবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি। অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ৩ কোটি ২৮ লাখ ১০ হাজার শেয়ারের লক ইন শেষ হবে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল।

এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ১১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ১ এপ্রিল।

এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ: বিবিধ খাতের কোম্পানি এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ১২ এপ্রিল,২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ১৫ জুলাই। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা সাত কোটি। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ১২ অক্টোবর।

আর ইলিজিবল ইনভেস্টরদের অবশিষ্ট ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের লক ইন উঠবে আগামী বছরের ১২ জানুয়ারি। অন্যদিকে অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ১ কোটি ৮৮ লাখ ৫৫ হাজার শেয়ারের লক ইন শেষ হবে আগামী বছরের ১২ এপ্রিল। এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ২ কোটি ১১ লাখ শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল।

আমান কটন ফাইব্রাস: বস্ত্র খাতের কোম্পানি আমান কটন ফাইব্রাসের আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ৭ মে, ২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ৬ আগস্ট। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা ৩১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে এ বছরের ৭ নভেম্বর।

ইলিজিবল ইনভেস্টরদের অবশিষ্ট ৩১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের ওপর নয় মাসের লক ইন উঠবে আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি। এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের আট কোটি শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ৭ মে।

ভিএফএস থ্রেড ডায়িং: বস্ত্র খাতের আরেক কোম্পানি ভিএফএস থ্রেড ডায়িংয়ের আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ৭ মে, ২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ৯ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৪ কোটি ৭১ লাখ ৪৮ হাজার। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা ২৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে এ বছরের ২৭ নভেম্বর।

ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা অবশিষ্ট ২৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের লক ইন উঠবে আগামী বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ২ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার শেয়ারের লক ইন শেষ হবে আগামী বছরের ২৭ মে। এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ৪ কোটি ১৬ লাখ শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ২৭ মে।

এমএল ডায়িংয়ের: এমএল ডায়িংয়ের আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয়  ১২ জুন, ২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ১৭ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার। ইলিজিবল ইনভেস্টরদের কাছে থাকা ২৫ লাখ শেয়ারের ওপর ছয় মাসের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর।

ইলিজিবল ইনভেস্টরদের অবশিষ্ট ২৫ লাখ শেয়ারের লক ইন উঠবে আগামী বছরের ১২ মার্চ। আর অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও প্লেসমেন্ট হোল্ডারদের কাছে থাকা ৬০ লাখ শেয়ারের লক ইন শেষ হবে আগামী বছরের ১২ জুন। এছাড়া উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশ কিংবা তার বেশি শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডারদের ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ১২ জুন।

লক ইন উঠে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকে বড় আকারের বিক্রয়াদেশ আসতে পারে, অথবা নাও অাসতে পারে তবে লক-ফ্রি থাকলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর চাইলে যে কোন সময় শেয়ার বিক্রয় করতে পারেন।

সিলভা ফার্মা: সিলভা ফার্মা আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয়  ০২ জুলাই, ২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ১০ অক্টোম্বর, ২০১৮। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩০ লাখ।

ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড: ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড আইপিও প্রসপেক্টাস ইস্যু হয় ১৩ মার্চ, ২০১৮। স্টক এক্সচেঞ্জে এর লেনদেন শুরু হয় ১৮ অক্টোম্বর, ২০১৮। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৩০ লাখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here