সুহৃদের সফটওয়্যার ব্যবসার সুফল বিনিয়োগকারীও পাবেন

মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : ব্যবসা সম্প্রসারণ ও মুনাফা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুজিঁবাজারের তালিকাভূক্ত কোম্পানি সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করেছে। গত ২৬ জুন এ ব্যাপারে ইনফোস্যাপেক্স ও সুহৃদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের সচিব জিনিয়া আকতার স্টক বাংলাদেশকে জানান, ইনফোস্যাপেক্সের তিনটি সেকশন রয়েছে। সেকশন তিনটি হচ্ছে রোবোটিক প্রোসেস অটোমেশন (আরপিএ), পেপার লেস মিটিং এবং বিজনেস প্রোসেস অটোমেশন। এই তিনটি সেকশনের সেল, ডেভেলপমেন্ট করাসহ বিভিন্ন বিষয় দেখভাল করবে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ। এসব বিষয়ে যে পরিমাণ আয় হবে তা সমান ভাবে অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে ভাগ করে নেবে কোম্পানি দুটি।

জিনিয়া আকতার আরও জানান, সুহৃদ সফটওয়্যার অর্থাৎ ই-কমার্স ব্যবসায় লাভবান হলে বিনিয়োগকারীরাও আলটিমেটলি লাভবান হবে। কারণ ব্যবসায় লাভবান হলে তার পজেটিভ প্রভাব শেয়ার দরে এবং ডিভিডেন্ডে অর্থাৎ লভ্যাংশে পরবে। তিনি জানান, আমাদের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা এই সফটওয়্যার ব্যবসা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আশা করি ভালো কিছুই হবে।

কোম্পানির ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, সুহৃদ ইন্ডাস্টিজের বর্তমান শেয়ার দর ৩২ টাকা ৪০ পয়সা। গত ৫২ সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৮ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৪১ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।

সূত্র মতে, কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৫৭ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ১০ টাকার ফেসভ্যালুর কোম্পানিটির রিজার্ভে রয়েছে ৪ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গত বছর কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

কোম্পানির ওয়েবসাইট সূত্রে আরও জানা যায়, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের মোট শেয়ার রয়েছে ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫০টি। এরমধ্যে স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার রয়েছে ৯ দশমিমক ৯৯ শতাংশ, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ার রয়েছে ১৬ দশমিক ০৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) রুলস অনুযায়ী স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার কমপক্ষে ৩০ শতাংশ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু কোম্পানির স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার এতো কম হওয়ার বিষয়ে জিনিয়া আকতার বলেন, ডিরেক্টরদের শেয়ার ফুলফিল করতে কাজ চলছে। তবে কবে নাগাদ ফুলফিল হবে সেব্যাপারে এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারবো না।

উল্লেখ্য ২০১৪ সালে তালিকাভূক্ত হওয়া  ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি গত তিন প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি মোট আয় করেছে ১ দশমিক ০৭০ টাকা। এর মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে আয় করেছে ০ দশমিক ৩১০ টাকা, দ্বিতীয় প্রান্তিকে ০ দশমিক ৩৫০ টাকা এবং তৃতীয় প্রান্তিকে ০ দশমিক ৪৪০ টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here