ডিএসইতে গত বছর সূচক প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে

dse

ইমরান হোসেন: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিনিয়োগকারীদের জন্য গত বছরটি ছিল হতাশাজনক। বছরের শুরু থেকে শেষ কর্ম দিবসে বেঞ্চমার্ক ডিএসইএক্স প্রায় ১৫ শতাংশ পতন হয়েছে। সূত্র ডিএসই ওয়ের সাইট।

বছর ব্যাপি দর পতনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ছিল আলোচনায়। ভাল মৌলভিত্তির শেয়ারের দর পতন এবং তুলনামূলক দুর্বল ও লো-মার্কেট ক্যাপের শেয়ারের দর বৃদ্ধি ছিল চোখে পড়ার মত। লেনদেন কমায় ট্রেডাররা ও স্মার্ট মানির হোল্ডাররা লো-মার্কেট ক্যাপ ও তুলনামূলক অল্প সংখ্যক কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বছর ব্যাপি দর বৃদ্ধি ও পতন ঘটিয়েছে। আর তুলনামূলক বড় মার্কেট ক্যাপের মৌলভিত্তির শেয়ারে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঘটেছে পতন। এ পতন আরো তরান্বিত হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ও কারেন্সি ঝুঁকির আশংঙ্খায়  বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সেল প্রেশারে।

জানুয়ারি মাসে মুদ্রানীতিকে সামনে রেখে বাজারে অস্থির অবস্থা শুরু। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়, স্টক এক্সচেঞ্জের কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে চীন-ভারতকে নিয়ে টানাপোড়েনে বাজার নিম্নমুখী হয়। এই সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। নির্বাচনী বছর, মুদ্রাবাজারে তীব্র তারল্য সংকট, এনপিএল বৃদ্ধি, মুদ্রানীতি, এডিআর রেশিও পুণনির্ধারণ ইত্যাদি ইসূতে মার্কেটের পতন হয়।

বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা থাকায় সাধারণ মানুষের ক্রয় সক্ষমতা বাড়ছে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে ভোক্তাপণ্য ও উন্নয়ন সামগ্রীর পণ্যের কোম্পানিগুলোর আয়ে ও  অন্যদিকে তারল্য সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ভয়ে বড় কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার হিড়িক পড়ে। এ সবকিছুর প্রভাব মিলিয়েই চলতি বছর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গড় দৈনিক টার্নওভার, বাজার মূলধন ও সূচক প্রায় ১৫ শতাংশ কমে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here