গ্রামীণফোনকে দেয়া বিটিআরসির নোটিস শিগগিরই প্রত্যাহার

স্টাফ রিপোর্টার : টেলিকম খাতের কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে জারি করা কারণ দর্শানো নোটিস শিগগিরই বাতিল করা হবে। কোম্পানিটির কাছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা ‘পাওনা’র দাবি করে তা আদায়ের লক্ষ্যে এই নোটিস জারি করেছিল টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

এদিকে গ্রামীণফোনের কাছে বিশাল অঙ্কের অর্থ পাওনার দাবি, টাকা আদায়ে নানামুখী চাপ এবং সর্বশেষ লাইসেন্স বাতিলের নোটিসে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষ করে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এতে ব্লুচিপ এই কোম্পানির শেয়ারের দাম ব্যাপকভাবে কমতে থাকে, যার প্রভাব পড়ে মূল্যসূচকে। স্টক এক্সচেঞ্জের সবচেয়ে বড় বাজার মূলধন সম্পন্ন এই কোম্পানির শেয়ারের দাম কমতে থাকায় সূচকেরও বড় পতন ঘটে।

পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিকদর পতনের পেছনে গ্রামীণফোন (জিপি) সংক্রান্ত জটিলতাকে অন্যতম বড় কারণ মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর পুঁজিবাজার পরিস্থিতির উন্নয়নে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত অর্থমন্ত্রীর বৈঠকে প্রায় সব স্টেকহোল্ডার পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক নাজুক অবস্থার জন্য গ্রামীণফোন ও বিটিআরসির টানাপড়েনের কথা উল্লেখ করেন।

এতেই টনক নড়ে সরকারের। এতদিন ধরে ঝুলতে থাকা ইস্যুটির দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে বিটিআরসি, এনবিআর ও সংশ্লিষ্ট দুই কোম্পানি গ্রামীণফোন এবং রবিকে নিয়ে আলোচনায় বসেন অর্থমন্ত্রী। আর সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, আইনী পথে নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করা হবে। কোম্পানি দুটি বিটিআরসির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যে মামলা করেছে তা তুলে নেবে। অন্যদিকে বিটিআরসিও লাইসেন্স বাতিল করার বিষয়ে দেওয়া কারণ দর্শাও নোটিস প্রত্যাহার করবে। সে অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বিটিআরসি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here