ইবনে সিনা তৃতীয় কোম্পানি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করবে

স্টাফ রিপোর্টার: ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড দেশের তৃতীয় কোম্পানি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে রপ্তানির প্রথম চালান যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা.  এ কে এম সদরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার কোম্পানির এজিএমে এই তথ্য জানিয়েছেন। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ইবনে সিনার রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৫৯.৬৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, ইউএস এফডিএ’র অনুমোদন পাওয়া সবগুলো ওষুধই হচ্ছে ওটিসি (অভার দ্যা কাউন্টার) জাতীয় ওষুধ। কোম্পানিটি প্রেসক্রিপশন-ওষুধ রপ্তানিরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ওটিসি ওষুধ অর্থ প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। এ ধরনের ওষুধ কেনার জন্য ক্রেতাকে কোনো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখাতে হয় না। অন্যদিকে প্রেসক্রিপশন-ওষুধ হচ্ছে, সেসব ওষুধ, যেগুলো বিক্রি করতে হলে অথবা কিনতে চাইলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন (ব্যবস্থাপত্র) জরুরি।

প্রেসক্রিপশন-ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন পেলে প্রথম দিকে অন্য কোনো কোম্পানির কারখানায় ওষুধ উৎপাদন করে সেগুলো রপ্তানি করা হবে। পরে কোম্পানির পরিকল্পনাধীন নতুন প্ল্যান্টে সরিয়ে নেওয়া হবে। কোম্পানির ১০টি ওষুধ দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (US Food and Drug Administration-US FDA) এ নিবন্ধিত হয়েছে।

৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইবনে সিনা একটি নতুন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে যা চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার মতে, ২০১৯  সালের শুরুর দিকে কোম্পানির নতুন প্ল্যান্ট চালু হবে। আর সেটি চালু হলে পঞ্চশ থেকে ষাটটি নতুন প্রোডাক্ট উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে কোম্পানিটি ভবিষ্যত সম্প্রসারণের বিষয়টি মাথায় রেখে গাজীপুরের মাওনায় ৫০ বিঘা জমি কিনেছে। সেখানে ইনজেকশন ও স্যালাইন উৎপাদন ইউনিট, অনকোলজি বা ক্যান্সারের ওষুধ উৎপাদনের ইউনিট, অফথালমোজি বা চোখের রোগের ওষুধ ইত্যাদি পণ্য উৎপাদন হবে।

ইতোমধ্যে ২০১৫  বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড প্রথমে এবং দ্বিতীয় কোম্পানি হিসেবে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে।  কোম্পানি দুটির ওষুধ প্রেসক্রিপশন-ড্রাগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here