ইন্দো-বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ ২০.২৯ শতাংশ বেড়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:  সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ২০.২৯ শতাংশ শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ক্রয় করেছেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শেয়ার হোল্ডিং প্যার্টনে মোট শেয়ারের ৫১.২৬ শতাংশ কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে  ৩৯.৩৪ (যা কিছুদিন অাগেও মাত্র ১৯.০৫ শতাংশ ছিল) এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের  কাছে ৯.৪০  শতাংশ শেয়ার।

সূত্র ডিএসই।

ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের লেনদেন ঢাকা এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে  “এন” ক্যাটাগরিতে গত ১৮ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার শুরু হয়। ডিএসইতে তালিকাভূক্তের পর কোম্পানিটির ইপিএস ও প্রকৃত সম্পদমূল্যর (এনএভি) বেড়েছে। তবে কোম্পানিটি ডিভিডেন্ট প্রদানে দন্যতা দেখিয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে সেই কাটা ব্যবহার না হতেই অাবার স্টক  ডিভিডেন্ট দিয়ে কোম্পানি শেয়ার বাড়ানোর নীতি সমর্থনযোগ্য কিনা বিবেচনার দাবি রাখে।

লেনদেন শুরু হওয়ার কিছুদিন পরেই ৩০ জুন,২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস  লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৫ টাকা। যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১.২১ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৪.১৯ টাকা। যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১২.৮৪ টাকা।

আগামী ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ১৫ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইন্দো-বাংলার ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় কোম্পানিটির  ফান্ডামেন্টাল অনেক মজবুত, বিষয়টি তেমন নয়। ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টকে কোম্পানির মার্কেট শেয়ার (মার্কেটে কোম্পানির পণ্য সেলসের ভিত্তিতে) অনেক নিচেই।  ব্যান্ড ভেলু (ব্যবসায়িক সুনাম) ভিত্তিতে কোম্পানির অবস্থান অনেক উপরে নয়।

বাংলাদেশের বাজারে ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টকে আধিপত্য নিয়ে ব্যবসা করছে (ব্যান্ড ভেলু ও সেলসের দিক থেকে) স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, ইনসেপটা,  ইবনে সিনা প্রভৃতি কোম্পানি।

১০০ কোটি টাকার অথোরাইজ ক্যাপিটালের (অনুমোদিত মূলধন) বিপরীতে কোম্পানিটির পেইড-আপ ক্যাপিটাল (পরিশোধিত মূলধন) ৯৩ কোটি টাকা। কোম্পানিটির সারপ্লাস টাকা অাছে ২০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। কোম্পানিরটির ২০১৭ সালের ডিলিউটেড নেট এ্যাসেট ভেলু (ন্যাভ) ১২.২৩ পয়সা মাত্র। ২০১৭ সালের শেয়ার প্রতি ডিলিউটেড আয় ছিল (ইপিএস) ৯৫ পয়সা।

ফিক্সট প্রাইজ পদ্ধতিতে ইন্দো-বাংলা ফার্মা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে এ অর্থ উত্তোলন করেছে। উত্তোলিত টাকায় অবকাঠামো নির্মাণ, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও সংক্রান্ত খাতে ব্যয় করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here